একাডেমিক
১. ছাত্রীদের উপস্থিতি ৮০% এর কম হলে উপরের শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে ।
২. বিনা অনুমতিতে ১৫ দিনের অধিক সময় অনুপস্থিত ছাত্রীর ভর্তি বিনা নোটিশে বাতিল করা হবে।
৩. অসুস্থতা বা অন্য কোন অনিবার্য কারণে ৭ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকলে দরখাস্তের সাথে ডাক্তারের সার্টিফিকেট ও অভিভাবকের স্বাক্ষরসহ আবেদন করতে হবে।
৪. বিদ্যালয়ের সকল অনুষ্ঠানে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
৫. বিদ্যালয়ে আসার পর সৃষ্ট আকস্মিক সমস্যা বা বিশেষ অসুস্থতা ছাড়া অন্য কোন কারণে স্কুল ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হবে না।
৬. বাৎসরিক ফলাফল ঘোষণার পর নির্ধারিত তারিখে (যা যথাসময়ে জানানো হবে) উত্তীর্ণ ছাত্রীদের সেশন ফি জমা দিয়ে ভর্তি নবায়ন করতে হবে। অন্যথায়, ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে এবং তার স্থলে ছাত্রী ভর্তি করা হবে।
৭. অনুত্তীর্ণ ছাত্রীদেরকেও একই নিয়মে সেশন ফি জমা দিয়ে নিজ নিজ শ্রেণীতে ভর্তি নবায়ন করতে হবে। অন্যথায় তাদের আসনগুলোও শূন্য বলে বিবেচিত হবে।
৮. প্রত্যেক ছাত্রীকে অবশ্যই সকল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
৯. পরীক্ষার ইচ্ছাকৃত অনুপস্থিতির জন্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
১০. প্রবেশপত্র বা অনুমতি পত্র ছাড়া কোন ছাত্রীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না।
১১. পরীক্ষার সময় কোন ছাত্রী বই, খাতা বা অন্য কোন কাগজ পত্র সঙ্গে আনতে পারবে না। শুধু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যন্ত্রপাতি, কালি কলম সঙ্গে আনবে।
১২. পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করলে, পরীক্ষা কক্ষে অসদাচরণ করলে, পরীক্ষার উত্তরপত্র হাতে পাওয়ার পর উত্তর শুদ্ধ করে নম্বর পরিবর্তন দাবি করলে, ডায়েরীতে প্রাপ্ত নম্বর পরিবর্তন করলে, ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে।
১৩. ছাত্রীদের পড়ালেখার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বছরে ৩টি (১ম সাময়িক, ২য় সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষা) অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্রীদের সাংবাৎসরিক ফলাফল উক্ত পরীক্ষা সমূহ এবং শ্রেণী পরীক্ষা ও শ্রেণী পাঠে প্রাপ্ত নম্বরের উপরে ভিত্তি করে তৈরি করা হবে এবং ঐ সকল পরীক্ষা ও কার্যক্রমের মান হবে ১ম সাময়িক ২৫% + ২য় সাময়িক ২৫% + বার্ষিক ৩০% + শ্রেণী পরীক্ষা ২০% = ১০০%।
১৪. সাংবাৎসরিক ফলাফলে প্রতি বিষয়ে ৩৩% নম্বর না পেলে উপরের শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
১৫. প্রমোশনের ব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ ব্যাপারে কোন সুপারিশ গ্রহণযোগ্য নয়।
১৬. ১ম সাময়িক ও ২য় সাময়িক পরীক্ষার উত্তরপত্র ছাত্রীর মাধ্যমে অভিভাবকের নিকট পাঠানো হবে। বার্ষিক পরীক্ষার উত্তরপত্র আবেদনের প্রেক্ষিতে দেখানো হবে। অভিভাবক উত্তরপত্রগুলো ভালভাবে দেখবেন এবং কোনরূপ সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তবে তা উত্তরপত্র পাওয়ার পরদিনই ছাত্রী স্ব স্ব শ্রেণী শিক্ষকের মাধ্যমে সংশোধন করবে। নির্ধারিত দিনের পর কোনরূপ সংশোধনী গ্রহণ করা হবে না। উত্তরপত্রে নির্ধারিত স্থানে অভিভাবক স্বাক্ষর করে নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ফেরত পাঠাবেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ত্রুটি বিচ্যুতি সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
১৭. অতিরিক্ত তথ্যাবলী জানার জন্য প্রয়োজনে অভিভাবক প্রতি সপ্তাহের যে কোন দিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।
১৮. ছুটির ঘণ্টার সাথে সাথে হৈ-হল্লা না করে ধীরে ও শান্তভাবে বিদ্যালয় অঙ্গন ত্যাগ করবে
১৯. প্রতিদিনের পাঠ শিখে বিদ্যালয়ে আসবে। কোনক্রমেই বাড়ির কাজ বিদ্যালয়ে করা চলবে না। শ্রেণী পাঠ যথাযথভাবে করার লক্ষ্যে প্রতিদিন নিজ নিজ খাতা, কলম, বই নিয়ে বিদ্যালয়ে আসবে।
২০. বিদ্যালয়ের কাজ শুরু হওয়ার ১৫ মিনিট পূর্বে বিদ্যালয়ে আসবে।
২১.নির্ধারিত সময়ের পরে আসলে ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না।
বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোশাক ছাড়া বিদ্যালয়ে আসবে না। এক্ষেত্রে পোশাকের জন্য নির্ধারিত রং ও ডিজাইন মেনে চলতে হবে।
২২. সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পাক-পবিত্র থাকবে। শরীর ও পোশাক পবিত্র রাখবে।
২৩. নিয়মিত নখ কাটবে।
২৪. কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতে অংশগ্রহণ করবে।
২৫. নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসবে এবং শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয় ত্যাগ করবে না।
২৬. শ্রেণী শিক্ষক ও মনিটরের আদেশ পালন করবে। শ্রেণী শৃঙ্খলা বজায় রাখবে। প্রত্যেক পিরিয়ড শেষে শিক্ষক পরিবর্তনের সময় নিজ নিজ আসন ত্যাগ করবে না এবং শ্রেণীতে হৈ চৈ করবে না।
২৭. কোন ছাত্রী শিক্ষকের জন্য কোনরূপ উপহার অথবা সিডি ম্যাগাজিন ইত্যাদি স্কুলে কোনক্রমেই আনবে না।
২৮. বিদ্যালয় অঙ্গন ও নিজেদের শ্রেণীকক্ষ নিজেরাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতি সচেষ্ট থাকবে।
২৯. প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত মুসলিম ছাত্রীদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতামূলক।
৩০. কোন ছাত্রী স্কুলে মোবাইল ফোন সংগে আনতে পারবে না।